Showing posts with label কোলাজ. Show all posts
Showing posts with label কোলাজ. Show all posts

Sunday, 11 November 2018

একগুচ্ছ কোরাস

একগুচ্ছ কোরাস
ইমেল নাঈম

১।
বিক্রি করে দিচ্ছি নিজেকে,
মানে নেই করেও এড়িয়ে যাচ্ছি খুব
অপ্রাপ্তির খাতায় এখনো বিষণ্ণতা
উঁকি দিয়ে যায় পলাতক সাইরেনে।

২।
এড়িয়ে যেতে যেতে অচেনা হবো
একদিন থাকবে না কারো পদচিহ্ন
জীবনের রঙধনু রঙ মলিন হয়ে
ঝুলবে শুধু চিত্রাঙ্কন খাতায়

৩।
থেমে যাচ্ছি আবার দৌড়াচ্ছি...
হাঁপাচ্ছি কিন্তু গন্তব্য পাচ্ছি না খুঁজে
অদ্ভুত একটা চক্রযাপনে আটকে
ফেলেছি নিজেকে, শেষ দেখবো
বলে দৌড়াচ্ছি শুধু একই চক্রব্যূহে।

৪।
নীরবতাও একটা ভাষা, কথা বলে
সে ধ্রুপদী সংগীতের মতো, ঈজেলে
আঁকা ছবির মতো সেও প্রাণবন্ত
প্রেমিকের হৃদয় ভাঙলে পরিপূর্ণতা
পায়, শেষ হয় ভাষা শিক্ষার ক্লাস।

৫।
প্রেমিক হবো বলে এখনো অপেক্ষায়...
মুখ শীতের সকালের চেয়েও রুক্ষ
নিজেকে প্রেমিক ভাবছো, অথচ
জীবন গাইছে নিঃসঙ্গতার কোরাস।

Wednesday, 23 May 2018

মুহূর্ত কোলাজ

মুহূর্ত কোলাজ
ইমেল নাঈম

১।
রেখে দাও জীবনের হরিৎ আয়োজন
ভ্রান্তির বিনিময়ে খোঁপায় বাঁধো ভুল
বিন্যাসে সাজানো স্তূপাকৃতির দুঃখ
মলিন ক্যানভাসে আর ছবি আঁকো?

২।
বুকের ভাঁজে লুকোনো সব প্রহসন
এক্স ফেক্টরও মাঝেমাঝে হানা দেয়
নির্বাসনের মাঝে জানে না মন...
প্রকৃতিও নিঃস্ব দেখে নিষিদ্ধ গন্ধম।

৩।
হাতের মুঠোতে ধরে রাখছো সবটুকু
কারো কাছে ভুলেও প্রকাশ করছো না
অপ্রকাশিত থাকছে মায়া জীবনের গল্প
নায়ক নায়িকা নয়, আমার বৃষ্টি প্রিয়।

৪।
পঙখীরাজে চড়ে এঁকে ফেলতে পারো...
ঘুমহীন চোখে লিখছি নির্ঘুম তোমাকে
বিনিদ্র রাতে পুড়ছে শলাকা নিকোটিন
দেশলাই বাক্সের মতো ভেঙে যায় মন।

৫।
পাহাড়ের বুকে জমাট লিপিবদ্ধ বর্ণমালা
এতটা পথ হেঁটে তুমি রইলে আচেনা...

Thursday, 23 November 2017

অনুরণন

অনুরণন
ইমেল নাঈম

১.
আঙ্গিক মুছে গেলে দূরবীনের জন্ম হয়
অভিসারী লেন্সের মাঝদিয়ে বয়স বাড়ে নিঃসঙ্গতার

নির্ভুল অংক কষি, বিনিময়ে মেলেনা প্রাপ্তি
লুকোচুরি খেলার মাঝখান দিয়ে চিৎকার শুনি
হেই ম্যান গো... গো... রান ফাস্ট...

সেলাই মেশিনে লিখছি পলাতক জীবনের স্বরূপ

২.
নিংড়ে দিয়েছি সবটুকু ভালবাসা, প্রতিদানে
ব্যাঞ্জোর সুরে কেবল বেজে গেছে কান্ট্রি সং
ঘর ছাড়া হবে বলেই ফিকে হচ্ছে আয়োজন

চুপচাপ নেমে আসুক রাত, সামাজিকতাকে
ছুঁড়ে ফেলে দিলে দাঁড়িয়ে থাকে আদি প্রবৃত্তি

মাছ বিহীন একুরিয়ামের জীবনকে লিখছি
বিমূর্ত অবয়বের আড়ালে শুনি অট্টহাসি

৩.
চুম্বন মুছলে নিজেকে আর আয়নায় দেখোনা
নির্ভরতার মন্ত্রগুলো মুছে গেছে হিসেবের ভুলে

নাহ্‌, এরচেয়ে বেশি কোনো শব্দ হয়নি
দীর্ঘশ্বাসটুকু শুনছি হতাশার মোড়কে।

ইমসোমনিয়া রাতে চুপিসারে নামে কল্পনারা।

৪.
উল্কিতে এঁকে নিলে পিঠ, আর আমি
ভালবাসি ওই চোখ, এভাবেই বিপরীত দিকে
ঠেলে দিচ্ছো অগোচরে। অথচ, জানতে পারছোনা
বঙ্গোপসাগরের গভীরতা মাপি ওই চোখ দেখে
বিপরীতে ডুবে যাচ্ছি চোরাবালিতে,

অন্ধকারের কোরাসে গাইছি এলিজি, ক্রমশ...।

Monday, 16 October 2017

সুবোধ উবাচ

সুবোধ উবাচ
ইমেল নাঈম

১।
সুবোধকে আমি ঠিক চিনিনা। তাকে আমার দেয়ালের ভাজে বন্দী সূর্যটার অকুতোভয় দারোয়ান বলে মনে হয়। আচমকা উড়ো বাতাস এসে বলে, সময় এখন পক্ষেনা... থাকে পালিয়ে যাবার অপার আহ্বান। সুবোধ ঘুরে দাঁড়াতে চায়। তার নির্বাক দৃষ্টিতেও মৌন ভাষা লুকোনো। জারুলের বন হতে উড়ে আসা মিষ্টি ঘ্রাণটিও তার চেনা। তবুও কোনো আনন্দ উল্লাস নেই চোখে। নির্বাক সুবোধও কথা বলছে...দেখো... অথচ আমরা তা বুঝতে পারছিনা একদমই।

২।
বিজ্ঞাপন ঝুলছে ফিরে আসিস না আর... কোথায় পালাবে? জীবনের মায়ায়! নাকি আবার ফিরবে জীবন গোছানোর আয়োজনে। সুবোধ পালাতে শিখেনি। সে তো নতুন প্রজন্মের এক ভাবুক বাউল। নিজের সুরে সবুজের জয়গান গায়। সুবোধ কোনো কবির নাম, লিখে রাখে আগমনী গান। নতুন দিনের মেঘের ভাজে, সেও বিশ্বাস করে একদিন সূর্যটার মুক্তি মিলবে।

৩।
ভোর হবে কী! বিস্ময়ের গল্প লিখে রাখি, ছোট্ট শিশুটিও নির্বাক। সুবোধের হাত ছুঁয়েছে তার মাথা। বোঝাই যায় স্নেহের দৃষ্টি। ভরসা নাকি অপারগতা বুঝতে পারছিনা একদমই। আমি দেখি খাঁচাবন্দী সূর্যটাকে। আমার প্রমিথিউস হবার খুব সাধ জাগে।

৪।
সুবোধ এখন জেলে... ভাবছি কীভাবে সম্ভব! যখন বন্ধ হয়ে যায় মুক্তচিন্তার দরজা জানালা, তখনই জন্মান্তর লিখা হয় সুবোধের। সুবোধ ছড়িয়ে যায় সর্বস্তরে। আনন্দের বার্তা ছড়াতে থাকে ভুল সময়ে। শরীরকে আটকে ফেলতে পারো খাঁচার প্রাচীরে। কিন্তু সবার মনের ঘরে যে সুবোধ গাইছে ধ্রুপদী গান, যে সুবোধ একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাত ফেরির মিছিল কিংবা পয়লা বৈশাখে প্রেমিকার হাত ছুঁয়ে যাওয়া আঙুল। সেই সুবোধকে আটকায় কোন কারাগার? সুবোধ হতাশার মোড়ে দাঁড়ানো কোনো শ্লোগানের নাম। সুবোধ কে? উত্তরে আসে আমি... তুমি... সে... সবাই...

৫।
হতাশার ভিড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা। ভরাট কণ্ঠে উদাত্ত আহবান। পালাস না সুবোধ... লড়াই চলুক... লড়াই সম্পর্কে আর কিছুই জানা যায়নি। কার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে সুবোধ? শত্রুকে চিনেছে সে কোন মায়াবী প্রলোভনে? আমরাও বলি সুবোধ উঠে দাঁড়াও... সূর্যটার দিকে তাকিয়ে আছি আমি...তুমি...আমরা...সকলেই।

৬।
সূর্যের মানে কী! মুক্তি লাভ নাকি ভিন্ন কোনো বার্তা, তার উত্তর খুঁজছে সরকারি উর্দি চাপানো মানুষগুলো। তত্ত্ব উপাত্তের ভিড়ে তারা শ্বাস নিতে ভুলে গেছে। উড়ুক্কু সময়ের সোপানে তারা খুঁজছে শিল্পীকে। সুবোধকে জানতে চাইছে খুব। তারা দেখছেনা পাশের সূর্যটা দাঁড়িয়ে আছে নিরুপায়। পরাধীন মানুষেরা স্বাধীনতার নাম শুনলেই উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। স্বাধীনতাকে তারা ভয় পায়। এ কথা জানে খাঁচাবন্দী সূর্যটা।

প্রকাশকালঃ ১ কার্তিক ১৪২৪

Tuesday, 10 October 2017

আয়না কোলাজ

আয়না কোলাজ
ইমেল নাঈম

১।
মোহাচ্ছন্ন প্রলাপ, কে বাজায় এই সুর
হতাশার গলি থেকে দৌড়ে যায় কিশোরী
দৃশ্যপটজুড়ে কেবল সাদাকালো আঁচড়
বাধা পেরুলে লিখি নিজেকে গোপনে।

২।
আয়নার প্রতিবিম্বে খুব অচেনা তুমি
ভাবো, গাণিতিক সূত্রের সবটুকুই ভুল
যোগ অংকে মিলিয়ে ফেলি তোমাকে
দিনান্তের চোরাবালিতে লিখি কবিতা।

৩।
মুখটা সরিয়ে রাখো, আয়নাও মিথ্যে বলে

আযানের সুরে ভাসে দুঃখ নিরন্তর
গীতার শ্লোকে জেগে ওঠে নীলাভ সবুজ

তুমি আমি দুজনেই বেনামা প্রেমিক
দুজনেই পুষে রাখি আযান আর শ্লোক

৪।
আয়না ভাঙলে দাঁড়িয়ে থাকো — একা
বিস্ময়ের সাথে দেখি কেবল ভাঙাগড়া
একদিন খেলারছলে ভাঙবে পৃথিবী
পাপেট শো'র পুতুল হয়ে তাকিয়ে থাকি

৫।
গোপন আয়নাজুড়ে শুধুই প্রহসন
পরিনামে লিপিবদ্ধ করছি তোমাকে
নীল মোড়কে বাঁধানো বইয়ে...
তোমাকে পড়লেই পড়া হয় ঈশ্বর।

প্রকাশকালঃ ২৫ আশ্বিন ১৪২৪

Friday, 12 May 2017

স্মৃতিহীনের কোলাজ

স্মৃতিহীনের কোলাজ
ইমেল নাঈম

সকাল
অনেকদিন পর দেখা। সমুদ্র সৈকতে পা দিয়ে খেলছিলাম
কাটাকুটি খেলা, আঁকছিলাম ছবি চিকচিকে বালুতে
কখন যে এলে টের পাইনি, সেই থেকে লুকিয়ে ফিরছি
যাত্রাপথে মুখ দেখাবো না ভেবেও দেখে নিয়েছিলে
সহযাত্রী হাতেগোনা সামনে এসে বাড়ালে হাত,
সেই থেকে কথায় পেরিয়ে যাচ্ছিলো তুষারমণ্ডিত সময়।

ডাক্তারের ট্রিটমেন্ট
ফিরে যাই ডাক্তারের কাছে, সাথে নিই স্মৃতিরকোলাজ
আমার আঁকা কার্টুন, তোমাকে দেয়া পোস্টকার্ড

এরপর শুরু হয় স্মৃতি ভুলিয়ে দেওয়ার আয়োজন

অর্ধ অবচেতন ঘুমে তুমি ভেসে আজও এখনো
স্পর্শগুলো জীবন খুঁজে পায়, ঘুম আর জাগরণের মাঝের
সত্যটুকু কে বৃত্তবন্দী করে গ্রাস করে ফেলেছো অবসর

স্মৃতির পুনরাগমন
হঠাৎ যান্ত্রিক গোলযোগের জন্ম হয়, মুছে যাওয়া স্মৃতিরা
উড়ে আসে আবার। অঝোর ধারায় ভিজতে থাকি, নিজের
ভিতরের কোমলতা জানায় হেমন্তের বৃষ্টির রোমাঞ্চটুকু।
ভিজতে ভিজতে আমি স্বচ্ছতা লাভ করি নিজের কাছে।

মিলন পর্ব
রাত পোহালে আসে সকাল অনন্য সকাল, সব ফেলে
দৌড়ে যাই নিজের কাছে, ডানা ঝাপটে উড়ছে রেইনবো
হাত বাড়ালেই মুঠোয় বসে, আদর খায়, আহ্লাদিত হয়

আমি চোখ বুজে সবটুকু চেটেপুটে নিই, পঞ্জিকার পাতায়
উলটে গেছে দৃশ্য, যুদ্ধের পরে বদলে গেছে পঞ্জিকাবর্ষ,
দু’জন স্মৃতিহীন মানুষ একে অপরকে ভালবেসে ফেলে।

প্রকাশকালঃ ২৯ বৈশাখ ১৪২৪

Friday, 29 July 2016

পলাতকা-কে

পলাতকা-কে
ইমেল নাঈম

১।

দীর্ঘ পরিভ্রমণে ক্লান্তি লিখে রেখেছিলো কপাল
থেমে যাওয়ার মন্ত্রপাঠ, সুড়সুড়ি দিয়ে ওঠা
পুরোনো অভ্যাস। নাম ভুলে গেছি যে রমণীর
আজকাল প্রায় রাস্তার মোড়ে দেখা মেলে তার।
সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে পিছনে ফিরে দেখি না
পাঠ পরিক্রমায় পালানোর মন্ত্র নেই,
অথচ নিজেকে খুব পলাতক মনে হয়।

২।

একবার পিছনে তাকিয়ে দেখি। পথ ভুলেছি,
পরিবেশও বদলেছে অনেক। শরীরের অতিরিক্ত
চর্বি আবেদন কমায় নি, শুধু তাল হারিয়ে ফেলা
কোনো র‍্যাম্প মডেলের মতো উদ্দেশহীন
পথে ছুটে চলেছো চোখের সামনে থেকে।

৩।

মাঝেমাঝে তোমাকে খুব অসুখী মনে হয়।
জ্যোতিষ নই, তাও হাত ধরার ইচ্ছে...
ছুঁয়ে দেখার প্রবল ইচ্ছেটা ফিকে হয় শুধু
কোমলতা ভুলে কতটা রুক্ষ হয়েছে
সেই হিসাবটুকু ক্যালকুলেটরেই করি ইদানীং।

৪।

সাহস করে দাবী করে ফেললাম এক দুপুরের
সঙ্গ, কোনো অভিজাত রেস্তরায় কাঁটাচামচের
টুংটাং... সেদিনই শেষ দেখা আমাদের
অফিসের ঠিকানাটা ঠিকই টুকে নিয়েছিলাম
ভিতরে ঢোকার সাহসটুকু দুঃসাহস হয়ে গেলো।

৫।

ইচ্ছে করে চিঠি লিখি নির্জন রাত এলে
বুঝতে পারি গভীর রাত বলে কিছু হয় না
অখণ্ড অবসর স্মৃতির পাঠ শেখায় আমায়।

প্রকাশ: ১৪ শ্রাবণ ১৪২৩।

Friday, 1 July 2016

বিবর্তিতের বিবর্তন

বিবর্তিতের বিবর্তন
ইমেল নাঈম
১।

ডারউইন পড়তে পড়তে আবিষ্কার করলাম
মেঠোপথ কে কবেই ছুঁয়ে দেখেছে রাজপথ
প্রত্যাশার সীমারেখা টানতে গিয়ে পালটে
গেছে আশা, আকাঙ্ক্ষা, চাওয়া, পাওয়া

বদলাতে চাই নি, সময় শুধু জুয়াড়ি সাজলো...

২।

আলতা দেয়াটা শখ ছিলো, কত আনন্দের
সাথে মাখতে তুমি পায়ের গোড়ালি ছুঁয়ে
লাল রঙ মানেই রক্ত নয়, স্বপ্ন হয় কারো
তুমুল অসম বৃষ্টিতে মুছে গেলো পায়ের দাগ

বদলে যাওয়া দেখতাম চোখের কোণে...

৩।

ইশকুল পালালে খেলার মাঠ হাতছানি দেয়
খেলতে গেলে তোমাকে মনে পড়ে,
সাপ্তাহিক হাটবার এলে মনে পড়ে
আলতার শিশির কথা, অপেক্ষায় কাটে
মধ্যমা জীবন। কৈশোর তুমিও খুনে প্রেমিক...

৪।

তখনো বৈদ্যুতিক খুঁটি বাসা বাধেনি জনপদে,
সন্ধ্যা নামলে কুপি বাতি জ্বালিয়ে পড়তে
বসতাম, আর অপেক্ষায় থাকতাম নির্জন
ইশারার। কাছারিঘর পেরুলে খেলাধুলোর
আসর, সেখান থেকে দৃশ্যমান তোমার ঘর।

৫।

চুল বাঁধতে বাঁধতে বিকাল নামিয়ে আনো
এখানে দেখি সন্ধ্যা নেমে আসে অবেলায়।

৬।

পালকি এলো একদিন, সবার আয়োজনে
মত্ত সারাবাড়ী, আমার কোনো উত্তাপ নেই
সারাদিন যাত্রী দেখি, তোমাকে অচেনা লাগে

সম্পর্কটা পালটে গেলো, বাহ্যিক সবই ঠিক
বিচ্ছেদটা কেউ জানলো না, ব্যথা তো নয়ই...

৭।

মুখবইয়ের সেলফিতে তুমি আজও অচেনা।