Showing posts with label নভেম্বর সিরিজ. Show all posts
Showing posts with label নভেম্বর সিরিজ. Show all posts

Sunday, 20 November 2016

নভেম্বরের কবিতা ৯

ট্রাফিক সিগন্যাল
— ইমেল নাঈম

মেঘ গড়িয়ে যায় দূরে, দাবার বোর্ডে মনোযোগী প্রেমিক...

ট্রাফিক সিগন্যাল জুড়ে লাল আর হলুদ ভালোবাসা ওড়ে
ভুলকরে অন্য পথে ঢুকে যায় আমার গাড়ী, পিছনের দিক
যাবার পথ আবদ্ধ হয়ে গেছে নতুন কোনো যানবাহনে।

উড়ে যাবার মতই মেঘ, ভ্যাপসা গরমে সিদ্ধ হয় মরুপথ
তাপমাত্রা বাড়ে আকাশের, নীল ভালোলাগে না এখন
বিরহ বিলাসী নই, মনের কোণায় এস্রাজ বাজতে থাকে।

গন্তব্য আমাকে চিনতে পারেনি আজতক, এক সৌখিন
পর্যটক বাৎসরিক অবসর কাটায় ভুল পথে — বারবার...
আর্দ্রতা কমে যায় আমার কল্পনা নগরীতে, কৃত্রিম শীত
নামে শুকনো উঠোনে, সন্ধ্যার অপেক্ষায় জানালায় চোখ

আমি তখনো তাকিয়ে দেখি লাল হলুদ বাতির অবস্থান
অর্থ জানা নেই, সমুজ্জ্বল উপস্থিতি দেখে অনুমান করি
রেখে যাওয়া সময়ের হিসাবনিকাশ, এরা কিসের শ্লোগান
গাইছিলো গতকাল সারাদিন ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে...

আমার অর্থ জানানাই, ভুল পথের কাফফারাও অজানা।

Friday, 18 November 2016

নভেম্বরের কবিতা ৮

নভেম্বরের কবিতা
— ইমেল নাঈম

মুদ্রাস্ফীতি মাপতে মাপতে পেরিয়ে গেলো পথ। কাকে পরিয়েছো অফুরন্ত সময়ের হাতঘড়ি? কাঠবিড়ালিদের গাছের এ'মাথা থেকে অন্যপ্রান্তে আসা যাওয়া দেখতে দেখতে বরফ ছুঁয়েছে নভেম্বরের শেষে। আমার অগ্রহায়ণ তোমার চোখে খেলে যায় পরিপাটি জীবনের নামতার শিহরণ।

শরৎ শেষে নবাণ্ণ উৎসব খেলে না গ্রাম ভগ্নাংশে, ধানের ক্ষেতে স্বাদ কমে গেছে অক্সিজেনের। পিচ ঢালাই পথ কেড়ে নিয়েছে মেঠো সবুজ। আমি দেখিনি গরুর গাড়ি, রিকশাও কমে গেছে মোটরচালিত তিনপেয়ে গাড়ির দৌরাত্ম্যে। ডাকহরকরা নেই, ডাকঘর ঘুমিয়ে গেছে বাবলা গাছ তলে।

দূরত্ব বড়ো কোনো সমস্যা নয়। অংক চাপলেই ইথারে চলে আসে প্রিয় কণ্ঠস্বর। চাইলে দেখে নিতে পারো প্রিয় মুখ। এখন আর কেউ কাউকে চিঠি দেয়না। রান্নার রেসিপি শিখতে ব্যস্ত তরুণী মন। রুমালের সেলাইয়ে নেই কোনো ভুল পাখি। তার নিচে ঠাঁই পায়নি ছোট্ট করে লেখা "ভুলো না আমায়।"

লোড শেডিং হলে মোমবাতি জ্বলে ওঠে এখনো। বিদ্যুতের রাজকীয় গমন থাকলেও আগমনী সঙ্গীত  বাজেনা সহজে। বৈঠকখানায় তেমন ব্যস্ততা নেই, বোকাবাক্সের দাপটে সন্ধ্যার উঠোনে অদম্য বালকবালিকাদের দৌড়ঝাঁপ নেই।

সদ্য জন্ম নেয়া ইট পাথরের দালানের পাশেই বাঁশঝাড় ঘুমোয়। পাশাপাশি সহবস্থান, অথচ কোনো দ্বন্দ্ব নেই। সন্ধ্যার ইশতেহারে লেখা নেই প্রেমিক কেনো হয়ে যায় প্রতারক। আমি তোমাকে এমন মায়াহরা সন্ধ্যারাতে চিনতে পারিনা, এমন কী নিজেকেও!

Wednesday, 16 November 2016

নভেম্বরের কবিতা ৭

কৈশোর কথন
— ইমেল নাঈম

টিকটিক ছুটে চলা দেয়াল ঘড়ি, তারপাশেই ধুলোজমা
পোর্ট্রেট, বয়সের নিরিখে বদলে যাওয়া জীবনের অংক
কতটা প্রান্ত ছুঁয়ে নেমে আসে ভোর, শৈশবের কাটাকুটি
খেলা খেলতে গিয়ে ইশকুল পালিয়ে খেলার মাঠ।
প্রথম তামাকের স্বাদ, দমবন্ধ করা সুন্দরী সহপাঠীকে
দুরুদুরু হাতে লেখা প্রথম ব্যর্থ চিরকুট, অজস্র কবিতা
শুধুমাত্র যত্নের অভাবে হারিয়ে গেলো বুক হতে

নৌকো ডুবির মতো ডুবে যাই জোয়ারভাটার হিসেবে
খুব গভীরতা মাপতে বসে শুনশান নীরবতা জমে গেছে
কবিতার খাতায় অনেক না বলা কথা রেখে দিয়েছি,
কাউকে বলা হয়নি, সহজ আর কঠিনের হিসাব বুঝিনি
কৈশোরের ডুবে থাকা তিনগোয়েন্দা সিরিজের ফাঁকে
অন্য নামও বেড়াতে আসে অলস বিকালে চা'র কাপে

অনাবাদী স্বপ্নরা হোঁচট খেয়ে বিদায় নেয়, পাঠ্যবইয়ের
আড়ালে হুমায়ুন আহমেদ'র ফ্যান্টাসি, ডিজ্যুস প্রজন্ম
জন্ম নেয়নি তখনও। সারাদিন হৈহৈ করে বেড়ানো
সময়ের বেড়াজালে আটকে গেছিলো মন ফড়িং।
ঘরের সুবোধ বালক বের হলেই অদম্য এক দুষ্টু ছানা
হুড়মুড় করে ঢুকে যায় বেয়াড়া বাতাস আজ বিকালে।

ব্যাকবেঞ্চার ছাত্র, বেঞ্চে লিখা বর্ণমালার যোগ অংক
কলম খেলার সময়, নানান রঙয়ের বর্ণের স্টিকার
ইট পাথরের সভ্যতায় বিক্রি করে দিয়েছে সমাজ
উঁচু দালানের সারি, বিশুদ্ধ বাতাসের ক্রমাগত ঘাটতি
তবুও ছুটে চলেছি সময়ের টানে নাবিকের বেশে।

সুখে থাকো আমার অদম্য কৈশোর স্মৃতির কোলাজে।

Monday, 14 November 2016

নভেম্বরের কবিতা ৬

নভেম্বরের শোকগাথা
— ইমেল নাঈম

শান্তির বিউগল বাজেনা সিমেন্ট সভ্যতার বিজ্ঞাপনে
মাঝেমাঝে অতিথি এনে জন্ম দিয়ে দেয় ফোক উৎসব
আভিজাত্যের মোড়কে রেখে আড্ডামুখর থাকে নগরী
এমন চাঁদনী রাতে প্রেমিকা কোরাস গাইছে আপন মনে

সাঁওতালি চোখের আকাশ কেমন? ছাদ নেই, হা করা
চাঁদের আলো, নির্ভেজাল চাহনিতে কোনো গোপনীয়
কথা লিপিবদ্ধ থাকেনা। প্রহসন হিসেবে ত্রাণের মাল
আসে তাদের কাছে। জমি হারিয়ে শুকনো খাবার
তাও ফিরে যায় সরকারের নির্লজ্জ কোষাগারে,

চাঁদনী রাতে আমার খুব একটা প্রেম পায়না, বেকার
জীবন — শূন্যতায় ভরা এক গ্লাস বিষণ্ণতা পান করি
আমার কবিতারাও দিনদিন প্রেমহীন হয়ে যায়
চাঁদ তার রূপে আমাকে মোহিত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ
আমি ভাবতে বসি হেমন্তকালীন অনাদরের গল্প,

ব্যক্তিগত লাভ লোকসানের হিসাব অনেক হলো
এরচেয়ে দেখি আকাশকে ছাদ করা মানুষ জীবন
কোনো মানে নেই, আক্ষরিক অর্থে আটকে গেছি
চার বর্ণের গালিময় জীবনের চোরাপথে। আকাশে
চাঁদ ওঠে, আবার ডুবেও যায়... গৃহহীন মানুষ কী
চাঁদের জ্যোৎস্নায় ভেসে যেতে শিখেছে এই দুর্দিনে!

Sunday, 13 November 2016

নভেম্বরের কবিতা ৫

নভেম্বরের কবিতা ৫
— ইমেল নাঈম

একবার ভাবুন, জিজ্ঞাসা আর ধমকের পার্থক্য
আক্রমণ আর বিনয়কে একসাথে গুলিয়ে খাওয়ান
সাধারণের মাঝে। ঢুকিয়ে দিন চেতনার ট্যাবলেট।
না না, মোটেও ব্যতিব্যস্ত হবেন না, সাহিত্যের সব
পদক আপনার ঘরে চলে আসবে যেকোনো পন্থায়

আপনি থাকতে অন্যকেউ পাবে পুরষ্কার, এও সম্ভব!
আপনি তো ইজারা দিচ্ছেন সাহিত্যের সব অলিগলি
পাইক পেয়াদা নিয়ে সাজাচ্ছেন অন্ধকার আসর,
পিঠ চাপড়ে দিচ্ছে নবীশ, আপনি পুলকিত হচ্ছেন।
এদের রেখে দিবেন ছোলা লুচি খাইয়ে, বিজ্ঞাপনের
খরচ একেবারে কমে ছোলা লুচিতেই নেমে আসবে।

প্রত্যাশায় না মিটলে মুখবইয়ে রঙচঙে বিজ্ঞাপন দিন
শেষ ভরসা হিসেবেও মিলে যেতে পারে পুরষ্কার
নিন্দুকেরা অনেক কথাই ছড়াবেন, এমন হাবভাবে
দুই একটা বেনসন জ্বালিয়ে মনোযোগী হতে পারেন
ডাকবাক্সে কোনো সুন্দরী রমণীর কবিতার দিকে,
না পড়েই বলতে পারেন পরিচর্যার লোভনীয় গল্প....

তারপর মোবাইল নাম্বার আদানপ্রদান, পরিচর্যাকেন্দ্র
হিসেবে নির্দিষ্ট করে দিন অন্ধকার গলির চোরাবালি
আশেপাশে সবাই বোঝে অথচ কেউ প্রশ্ন করেনা,
প্রশ্ন করা পাপ। এভাবে চলছে অদ্ভুতুড়ে পাঠদান পর্ব।

দৈনিক পত্রিকার সাহিত্যপাতার সম্পাদকের সাথে
দৈনন্দিন আলাপন হোক — কারণে বা অকারণে
পুরষ্কার আসতে থাকবে ঘরে, পাঠক চেনে আলো
আলেয়া চিনে নেয় নবীন কোনো কবি, মুখ ফুটে
বলতে ভুলে যায়, একসময় এতেই অভ্যস্ত হয় মুখ

এভাবে আপনি হয়ে যান জীবাশ্ম কবির বিজ্ঞাপন!

Friday, 11 November 2016

নভেম্বরের কবিতা ৪

ফেরিওয়ালা
— ইমেল নাঈম

অন্ধ ও বধিরের মাঝে কোনো প্রান্তিক স্পর্শ নেই
শখের বিলেতি কুকুরের মতো গায়ে গা ঘেঁষে
থাকে কেউকেউ বাধ্যগত মানুষের আবরণে

উপড়ে পড়া সময়ের বাতাবরণ শেষে
কিশোরীর মুঠোফোনে ভেসে বেড়ায় নাম
নিষিদ্ধ বারতা পাঠিয়ে যে যুবক দাঁড়িয়ে
তার চোখে মায়াবী প্রতারক লুকোনো

ঈর্ষাকে যত্ন নিয়ে পুষতে থাকো বুকের ঘরে 
কিছুটা অভিশাপ বৃত্তাকার পথে বাঁচুক
আক্ষেপের ঘরে নামতা পাঠের শেষে যে
হারিয়েছে কালো আংটি — গাও তার মুক্তির গান।

দাবী নেই খুব একটা, শৈশবের নীতিবাক্যরা
এখনো মদিরায় সুর তোলে, মাদল বাজিয়ে
নাচে এক পাহাড়ি সুন্দরী — চেয়ে দেখো তার 
চোখে প্রেম জিনিসটি ফুরিয়েছে অনেক আগেই।

আমি ফেরি করে বেড়াই পাহাড়ি সুন্দরীর ঘৃণা...

নভেম্বরের কবিতা ৪

নভেম্বরের কবিতা ৪

— ইমেল নাঈম


অন্ধ ও বধিরের মাঝে কোনো প্রান্তিক স্পর্শ নেই

শখের বিলেতি কুকুরের মতো গায়ে গা ঘেঁষে

থাকে কেউকেউ বাধ্যগত মানুষের আবরণে


উপড়ে পড়া সময়ের বাতাবরণ শেষে

কিশোরীর মুঠোফোনে ভেসে বেড়ায় নাম

নিষিদ্ধ বারতা পাঠিয়ে যে যুবক দাঁড়িয়ে

তার চোখে মায়াবী প্রতারক লুকোনো


ঈর্ষাকে যত্ন নিয়ে পুষতে থাকো বুকের ঘরে 

কিছুটা অভিশাপ বৃত্তাকার পথে বাঁচুক

আক্ষেপের ঘরে নামতা পাঠের শেষে যে

হারিয়েছে কালো আংটি — গাও তার মুক্তির গান।


দাবী নেই খুব একটা, শৈশবের নীতিবাক্যরা

এখনো মদিরায় সুর তোলে, মাদল বাজিয়ে

নাচে এক পাহাড়ি সুন্দরী — চেয়ে দেখো তার 

চোখে প্রেম জিনিসটি ফুরিয়েছে অনেক আগেই।


আমি ফেরি করে বেড়াই পাহাড়ি সুন্দরীর ঘৃণা...

Wednesday, 9 November 2016

নভেম্বরের কবিতা ৩

নভেম্বরের কবিতা ৩
ইমেল নাঈম

বিষণ্ণতায় লেখা নীলচে খাম লাল হয়ে যায় শেষে
কোথায় লেখা ললাটলিখন, দেখিনা তার রেশ
প্রান্ত বদলে যাওয়া মুখ, মুখোশ খুললেই অচেনা
সাজঘরের মেকাপ বক্স, উড়তে থাকা ঝাড়বাতি...
সাঁওতালি প্রেমিকা, তুমি তো পড়তে শেখনি অ আ

পুড়তে দেখেছো নিজ বাস, ঈশ্বরকে ভাবো দানব
আমরাও মুখোশকে মুখ ভেবে মণ্ডপ সাজিয়েছি
দূর্বাঘাস আর শিউলিতলায় ঝরে যাওয়া ফুলেদের
শিল্প ভেবে কবিতা লিখে কাটাচ্ছিলাম হেমন্তকাল

তোমার জন্য কেউ লিখে নি কবিতা, সংখ্যা তত্ত্বে
তোমাকে তালিকাভুক্ত করতে পারেনি গণিতবিদ
আমি তোমার ভাষা বুঝিনা, চোখটাই পড়তে পারি

তুমি লজ্জাবতী ফুল স্পর্শ পেলেই শুকিয়ে যাও
আগুনের তীব্র আঁচে মরে গেছো হয়তো, বাঁচলে
কার কীইবা যায় আসে, মরলেও বা কার চোখের
জল ঝরতো তোমার জন্য! আমিও অনেক দূরের
মানচিত্রের বুকে শুধুই গা বাঁচিয়ে চলতে শিখছি

তোমাকে উৎসর্গিত কোনো কবিতা নেই কারো
সবাই খুব ব্যস্ত। আইন আদালত বোঝো না তুমি।
অধিকারহীন প্রাণ বলে শিখোনি প্রতিবাদী কণ্ঠ
কবিতার খাতায় আজ অন্তত ভুল শব্দ চয়নে
অবহেলিত তোমায় ভেবে শিরোনাম জন্ম নিক।

Tuesday, 8 November 2016

নভেম্বরের কবিতা ২

বিচ্ছেদ নগরীর কবিতা
ইমেল নাঈম

একটা অহেতুক গল্প হা করে তাকিয়ে থাকে
ভেসে আসে দামী মুঠোফোনে উড়ে আসা
কিছু সংলাপ, হাপিত্যেশ বাড়ানো আগন্তুক
গল্প সমগ্রের পরিণাম ভাবতেই নামে সন্ধ্যা

শীত নামলে পানাম নগরে যেতে ইচ্ছে করে,
ওখানে কেউ নেই, তুমিও ছিলে না কখনো
কবিতার ডায়রির পাতাগুলো খালি থাকে
কেনো জানি লিখা হয় না, নভেম্বরের বৃষ্টিরা
থেমে গেলেও একটা অনুরাগ থেকে যায়
চোখে ভাসে প্রবীণ সাধকের সাধনার দৃশ্য

সব দেখাই সত্য হয় না, যেমন হয়নি অতীত
ভবিষ্যৎ বলতে শিখেছি এক নারীর সান্নিধ্যে...
ভুল সময় কাটিয়ে বুঝেছি, ডিসেম্বর'র আগে
শেষ জের টেনে দিয়ে মিলিয়ে দিতে হবে
ব্যালেন্স শিটের সকল হিসাব, মুদ্রাস্ফীতির
সাথে সাথে কমে যায় নদীর জোয়ারভাটা

সম্পর্কহীন সবকিছু, তবুও কাকতালীয় মিল...
অস্তিত্বহীন, লারেলাপ্পার মতো বারবার
আঙুল ছুঁয়ে নেমে যায় শেষ বিন্দুতে, বেশি
টানাহেঁচড়া করলে ছিটকে যায় অনেক দূরে

আমি তখন কবিতা পাঠ করি বিচ্ছেদ নগরীর।

Saturday, 5 November 2016

নভেম্বরের কবিতা ১

নভেম্বরের কবিতা ১
ইমেল নাঈম

অনেক কান্নার কোনো মানে থাকে না
কিছু প্রশ্নের কোনো ব্যাখ্যা নেই জমা
রাতের আঁধারে ঢেকে যায় পুরো মানচিত্র
স্বপ্ন দেখার জন্য অস্থির ফজরের আকাশ

রাতের আকাশে কারা আলো জ্বালায়
আবার কারা যেন পুড়িয়ে দেয় ঘরদোর
রাজনীতি তাকে ঘেন্না করিনা, দেখো
সেই পুড়িয়ে ফেলছে আমার পৃথিবী,
ব্যাখ্যা খুঁজিনি, শুধু মাথার ঠাঁইটুকুন...

দুবেলা আহার, এরবেশি স্বপ্ন দেখেনা
চোখের সামনে পুড়ে যায় নিজ পরিচয়
কীইবা থাকে পুড়ে গেলে? মানবতা?
তাকে ঘুম পাড়িয়ে দেয় স্বার্থের ইয়াবা।

পবিত্র কিতাব খুলে দেখো, কোথায় তুমি?
হঠাৎ হঠাৎ সরীসৃপের দেখা মিলে যায়...
মানুষ হতে কশেরুকা থাকতে হয় জানি
কবির কলম নীরব, মরচেধরা কলমে
কান্না আঁকার জন্য নেই কোনো শিল্পী

বিনোদন দাতাদের অল্পতেই মেলে বাড়ী
পুড়ে যাওয়া ঘরের হিসাব কেইবা জানি
ধর্ম দিয়ে কীইবা হয় যদি মানুষই না থাকে!

এতকিছুতেও গল্পটা অপরিবর্তিত থাকে
আলোর দিকে তাকিয়ে নিঃসীম অন্ধকার।