Friday, 29 January 2016

পথ

থেমে যেতে অনেক সময় লাগে
আবার চলার পথে দেখা হয়
চোখ মেলে তাকাতে হারিয়ে যাও
চাঁদ জানে, পুড়ে গেলে বাকি পথে
ঈর্ষা নামের কানাকানি বেরোয়।

পথ আগলে রাখে মায়া ফড়িং।
প্রতিনিয়ত পিছু নিয়ে ছুটছে
স্বপ্ন মেদুর ছোঁয়ার ব্যর্থতার
প্রয়াসে তাতে রাখো বকুল ফুল...
পড়ার টেবিলে অযত্নের কাব্য

হারাতে বসলেই উঠে দাঁড়াই
সব দাঁড়ানোর অর্থ এক নয়
মানে বদলানোর সুখে আহত
হয়ে ফিরে আসি অনির্ণীত পথে

ভাবি, কী করে চেনাজানা রাস্তাটা
মুহূর্তে অচেনা হয়ে গেলো এতো!

Wednesday, 27 January 2016

পড়শি কে

ডান বাম করতে করতে সময় চলে যায়। একদলা কথা গলায় বেঁধেছে সংসার। নিচেও নামে না, আবার বেরিয়েও আসে না। উভয় সংকটে পেরিয়ে যায় সূর্যোদয়। দেখা সাক্ষাতে প্রতিটা মুহূর্ত যেন বিরক্তিকর দাপ্তরিক, কাজের কথা আর কাজ বুঝে নিয়েই বিদায়।

পাশের ফ্ল্যাট, তবুও মনে হয় কতদূর। কোনো একদিন সকালে মর্নিং ওয়াকে দেখা না হলে, মনে হয় কতদিন দেখা হয় নি। আর সন্ধ্যায় ক্লাশ শেষে বাড়ী ফিরে ছাদ আর মামার টঙ দোকানের কৌণিক দৃষ্টিপাতটুকু দেখেও না দেখার ভান...সবটাই বুঝি, মৌন সমর্থন। তবুও আগাতে শিখি নি দুই পা।

প্রতিদিন ইচ্ছে করেই তোমার ফ্ল্যাটে ডোরবেল বাজাই, কখনো তুমি খোলো আর বাকিটা সময় অন্যকেউ। খোলা মাত্রই ঘরের চাবিটা, নয়তো গতকালের পত্রিকাটা খোঁজ করেই ফিরে আসি। আর তুমি সামনে দাঁড়ালে ভুলে যাই গল্প বিজ্ঞান। তখন নিজের উপরে অভিমান জন্মে। আর তুমিও সব বুঝে মুচকে হাসিতে দরজা বন্ধ করে দাও।

দরজা বন্ধ হলে আঘাতের চিহ্নটুকু উপলব্ধি করি। সুখের আঘাত, আমি ছাড়া বাকিটা কেউ জানে না। আর জানে পড়শি।

পড়শি কে

ডান বাম করতে করতে সময় চলে যায়। একদলা কথা গলায় বেঁধেছে সংসার। নিচেও নামে না, আবার বেরিয়েও আসে না। উভয় সংকটে পেরিয়ে যায় সূর্যোদয়। দেখা সাক্ষাতে প্রতিটা মুহূর্ত যেন বিরক্তিকর দাপ্তরিক, কাজের কথা আর কাজ বুঝে নিয়েই বিদায়।

পাশের ফ্ল্যাট, তবুও মনে হয় কতদূর। কোনো একদিন সকালে মর্নিং ওয়াকে দেখা না হলে, মনে হয় কতদিন দেখা হয় নি। আর সন্ধ্যায় ক্লাশ শেষে বাড়ী ফিরে ছাদ আর মামার টঙ দোকানের কৌণিক দৃষ্টিপাতটুকু দেখেও না দেখার ভান...সবটাই বুঝি, মৌন সমর্থন। তবুও আগাতে শিখি দুই পা।

প্রতিদিন ইচ্ছে করেই তোমার ফ্ল্যাটে ডোরবেল বাজাই, কখনো তুমি খোলো আর বাকিটা সময় অন্যকেউ। খোলা মাত্রই ঘরের চাবিটা, নয়তো গতকালের পত্রিকাটা খোঁজ করেই ফিরে আসি। আর তুমি সামনে দাঁড়ালে ভুলে যাই গল্প বিজ্ঞান। তখন নিজের উপরে অভিমান জন্মে। আর তুমিও সব বুঝে মুচকে হাসিতে দরজা বন্ধ করে দাও।

দরজা বন্ধ হলে আঘাতের চিহ্নটুকু উপলব্ধি করি। সুখের আঘাত, আমি ছাড়ক বাকিটা কেউ জানে না। আর জানে পড়শি।

পড়শি কে

ডান বাম করতে করতে সময় চলে যায়। একদলা কথা গলায় বেঁধেছে সংসার। নিচেও নামে না, আবার বেরিয়েও আসে না। উভয় সংকটে পেরিয়ে যায় সূর্যোদয়। দেখা সাক্ষাতে প্রতিটা মুহূর্ত যেন বিরক্তিকর দাপ্তরিক, কাজের কথা আর কাজ বুঝে নিয়েই বিদায়।

পাশের ফ্ল্যাট, তবুও মনে হয় কতদূর। কোনো একদিন সকালে মর্নিং ওয়াকে দেখা না হলে, মনে হয় কতদিন দেখা হয় নি। আর সন্ধ্যায় ক্লাশ শেষে বাড়ী ফিরে ছাদ আর মামার টঙ দোকানের কৌণিক দৃষ্টিপাতটুকু দেখেও না দেখার ভান...সবটাই বুঝি, মৌন সমর্থন। তবুও আগাতে শিখি দুই পা।

প্রতিদিন ইচ্ছে করেই তোমার ফ্ল্যাটে ডোরবেল বাজাই, কখনো তুমি খোলো আর বাকিটা সময় অন্যকেউ। খোলা মাত্রই ঘরের চাবিটা, নয়তো গতকালের পত্রিকাটা খোঁজ করেই ফিরে আসি। আর তুমি সামনে দাঁড়ালে ভুলে যাই গল্প বিজ্ঞান। তখন নিজের উপরে অভিমান জন্মে। আর তুমিও সব বুঝে মুচকে হাসিতে দরজা বন্ধ করে দাও।

দরজা বন্ধ হলে আঘাতের চিহ্নটুকু উপলব্ধি করি। সুখের আঘাত, আমি ছাড়ক বাকিটা কেউ জানে না। আর জানে পড়শি।

Monday, 25 January 2016

দিনলিপি

আমার প্রেমিকাদের তালিকা করলেই উঠে আসে কুয়াশামাখা সকাল। আলো নেই, সূর্যের উত্তাপে মৌন আবেদন নেই। অথচ দৃশ্যমান শব্দ কল্পনা। মাঝেমাঝে এই আধ ঘুমন্ত শহরটাকে খুব আপন লাগে, সাজানো গোছানো ছিমছাম, পাহাড়িয়া পথে সিলিং এর কাজ রাস্তার দু’পাশে গাছের সারি। ইট, সিমেন্টের সভ্যতা আঘাত হানলেও তা মুছে দেয় নি স্পর্শ আর বোকা বোকা নির্ভেজাল চাহনি কে। 

এখন কান পেতে বাতাস শুনি না। চাপা কষ্টের কিছু অনুরণন এসে হানা দেয় আমার চোখে। কান্নার শব্দ পাই। অনুমান করি এর হেতু। হাইপোথেটিক্যালি চুলচেরা বিশ্লেষণ করি। এনালিটিক্যালি কোনো কারণ জমা থাকে না অন্দরে, মন খারাপের গল্পের ছোটাছুটি চলতে থাকে কিছুটা সময়। এই শহরটা আমার প্রেমিকা। আগ্রাবাদ এক্সেস রোড পেরিয়ে যেখানেই যাই তাই আমার কৈশোর। 

এরপর দশ নাম্বার বাস চেপে চলে যাওয়া জিইসির পথে। মূল সড়কের ডানে বামে অনেক কানাগলি, যা লিখে রাখে শিল্প ও ঐতিহ্য। চকবাজারের দুপুরকালের জাম পেরিয়ে হেঁটে যাওয়া চট্টেশ্বরি রোড হয়ে সারসন গলি। আহ, ইতিহাস জীবন্ত হয়ে দুপুরের নামতা শেখাও।

রাস্তার পাশে টঙ দোকান। চা আর বেনসন পুড়িয়ে দিতেই অজস্র প্রশ্নের ভিড় খেলে যায় দরজাহীন কক্ষে। বহুগামিতার অংকে কষে ফেলি যোগ বিয়োগ। ভাবনায় পরে যাই কে আমার প্রেমিকা, কার জন্যই এই উদ্দেশ্যহীন এই পথচলা। তীব্র যন্ত্রণার জন্ম দিয়েই শেষ হয়ে যায় আমার দিন। বাকিটা সময়ে শুধু অনুভব করি, পাহাড়ের নির্জন ডাক, সমুদ্রের তীব্র কোনো হাতছানি।

Sunday, 24 January 2016

নীতিকথা

কবিতা লিখুন ফুল নিয়ে, ফল নিয়ে, প্রেম নিয়ে। চাইলে হালকা করে যৌনতা কে ঢুকিয়ে দিন। প্রাসঙ্গিক হলে ভিন্ন স্বাদের মজা লুটে নিবে লুটেরা। অপ্রাসঙ্গিক হলে বেচা বাট্টা ভালই। প্রচার মাধ্যম হিসেবে মুখবই, সস্তাদরের ই-পত্রিকার পাশাপাশি নামীদামী অনলাইন পত্রিকা খারাপ না। কানেকশন থাকলে সুবহে সাদিকেও নাকি প্রবেশাধিকার মিলে যায়।

প্রেম নিয়ে কবিতা লিখুন, পিঠ চাপড়ে দেবার অনেক আঙুল আছে অবশিষ্ট। ভালোলাগা আর ছড়িয়ে দেয়ার ফাঁকে প্রচারণাপত্র ছাপার অক্ষরে জ্বলজ্বল করবে। খুশিতে গদগদ হয়ে কাটাবেন দিনের সবটা সময়। গোপনঘরে সুন্দর মুখের সাথে প্রেমালাপে কেটে যাবে সময়। পত্রিকার পাতায় বাড়বে চাপ, একের পর এক লিখে চলবেন কলমের জোরে।

যদি প্রেম না এঁকে দ্রোহ আঁকেন, কবিতা যদি লিখা হয় দেশ নিয়ে! রাজনৈতিক অস্থিরতা কে কলমের জোরে সাজাতে চান অবেলায় তবে খোদার কসম সত্যি বলছি আপনার পাশে থাকা নীতিবান লোকটিকে মনে হবে ধান্ধাবাজ, দেশ প্রেমিক লোকটির আয়োজন দেখে মনে হবে লোক দেখানো উৎসব।

যে কোনো অপশাসনের বিরুদ্ধে ন্যায়ের বুলি ঝরানো প্রকাশকও হয়তো বা টিনের চশমা পরে কবিতা পড়বেন, দিন শেষে আবিষ্কার করবেন আপনার সামনে চমৎকারভাবে পিরানহা'র মতো হা করে তাকিয়ে আছে সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা।

Friday, 22 January 2016

ডিজুস

ভুল ঠিকানায় চিঠি অনেক দিন আসে না। রং নাম্বারে টেলিফোন। কিম্বা টাকার মাঝে নাম লিখে দেয়ার নির্মল বিনোদন। হাজারটা অজুহাত, সারারাত জেগে থাকা চোখ, ডিজুস মোড়কে। তারুণ্যের ভাষায়, ঢুকিয়ে দেওয়া মায়াবী বিষ। পচে যাওয়া আনন্দের ভিড়ে খোলা আকাশের কনসার্ট। সারারাত কথোপকথন মাত্র পৌনে তিন টাকা।

কিশোর মন জড়তা ভাঙার গল্প শুরু। সাহস করে সামনে দাঁড়ানো। অপরিপক্ব শুরু, তবুও রাত ভোর হয়ে আসে। ঘুম চোখে কলেজ বাস, ক্লান্তি নেমে আসে পৃথিবীর বুকে। ক্যাফেটেরিয়ার গরম সিঙ্গারা, চায়ের কাপ, বন্ধুদের সাথে আড্ডায় উঠে আসা নৈশকালীন স্মৃতিরোমন্থন।

স্মৃতির ভিড়ে ভুলে যাওয়া সময়। গা ভাসিয়ে দেওয়া প্রণয়। লুকিয়ে থাকা বয়ঃসন্ধিকালের ভুল, সদ্য জন্ম নেওয়া গোফ, ক্ষুরের দাগ নিতে শেখা গাল, অভিভাবকের টেনশন অন্যতম কারণ। সময়ের অভিশাপে হারিয়ে ফেলা নৈশকাল, এখনো প্রিয়তী নামের একটা নাম স্মৃতিকোঠা জুড়ে খেলে যায় ভাঙনের খেলা।

ডিজুস

ভুল ঠিকানায় চিঠি অনেক দিন আসে না। রং নাম্বারে টেলিফোন। কিম্বা টাকার মাঝে নাম লিখে দেয়ার নির্মল বিনোদন। হাজারটা অজুহাত, সারারাত জেগে থাকা চোখ, ডিজুস মোড়কে। তারুণ্যের ভাষায়, ঢুকিয়ে দেওয়া মায়াবী বিষ। পচে যাওয়া আনন্দের ভিড়ে খোলা আকাশের কনসার্ট। সারারাত কথোপকথন মাত্র পৌনে তিন টাকা।

কিশোর মন জড়তা ভাঙার গল্প শুরু। সাহস করে সামনে দাঁড়ানো। অপরিপক্ব শুরু, তবুও রাত ভোর হয়ে আসে। ঘুম চোখে কলেজ বাস, ক্লান্তি নেমে আসে পৃথিবীর বুকে। ক্যাফেটেরিয়ার গরম সিঙ্গারা, চায়ের কাপ, বন্ধুদের সাথে আড্ডায় উঠে আসা নৈশকালীন স্মৃতিরোমন্থন।

স্মৃতির ভিড়ে ভুলে যাওয়া সময়। গা ভাসিয়ে দেওয়া প্রণয়। লুকিয়ে থাকা বয়ঃসন্ধিকালের ভুল, সদ্য জন্ম নেওয়া গোফ, ক্ষুরের দাগ নিতে শেখা গাল, অভিভাবকের টেনশন অন্যতম কারণ। সময়ের অভিশাপে হারিয়ে ফেলা নৈশকাল, এখনো প্রিয়তী নামের একটা নাম স্মৃতিকোঠা জুড়ে খেলে যায় ভাঙনের খেলা।

জীবন

সরল অংকের মতো আমাদের মোটেও ভুলে যাওয়া উচিৎ নয় -
মধ্যমা প্রসারিত হলে মুখ নিঃসৃত সবুজ পাটাতনে ছড়ানো শব্দ
আছড়ে পরে হতাশায়, পরিচিত মহলে তার কোনো ডাকনাম নেই
এখানে শব্দের বিপরীতে স্বপ্ন, স্বপ্নের বিনিময়ে অট্টালিকার সারি।

আকাশ ছোঁয়ার ব্যর্থ প্রয়াসে মাথা উঁচু করতেই সমাপ্তি টানা যায়।
অসাড়তার পরিবর্তে নতুন কোনো উপাখ্যানের জন্মান্তর লেখেনি
মিথ্যে শানশৌকত অবহেলিত অচল মুদ্রার মতো পরে থাকে কোণে
প্রকৃত সত্য মধ্য বিন্দুতে হাসেন, কেউ দেখে না অন্ধত্বের আবরণে।

মোহবন্দী সবাই ছুটেছে, গন্তব্য পড়তে পারে না গণক টিয়া পাখি
ফুটপাত জুড়ে রকমারি দোকান, হাতিয়ে নিয়ে পারে মাসের সব
সারাদিনের দৌড়ের শেষে অচল হওয়া দেহটি শ্বাসপ্রশ্বাস ছাড়ে
চোখটুকু জেগে থাকে, তার কোনো ক্লান্তি নেই বরং সকালের অপেক্ষা...

সকাল হতেই আবার ছুটে চলা চেনা পথে অচেনা জীবনের টানে
পুরোটা যুদ্ধক্ষেত্রে অপ্রস্তুত যোদ্ধা ছুটে চলে সময়ের হাতেখড়িতে
বিজয় নামক শব্দটি খুব কাছের কিন্তু স্বপ্ন বলেই ডাকে সবাই।

জীবন

সরল অংকের মতো আমাদের মোটেও ভুলে যাওয়া উচিৎ নয় -
মধ্যমা প্রসারিত হলে মুখ নিঃসৃত সবুজ পাটাতনে ছড়ানো শব্দ
আছড়ে পরে হতাশায়, পরিচিত মহলে তার কোনো ডাকনাম নেই
এখানে শব্দের বিপরীতে স্বপ্ন, স্বপ্নের বিনিময়ে অট্টালিকার সারি।

আকাশ ছোঁয়ার ব্যর্থ প্রয়াসে মাথা উঁচু করতেই সমাপ্তি টানা যায়।
অসাড়তার পরিবর্তে নতুন কোনো উপাখ্যানের জন্মান্তর লেখেনি
মিথ্যে শানশৌকত অবহেলিত অচল মুদ্রার মতো পরে থাকে কোণে
প্রকৃত সত্য মধ্য বিন্দুতে হাসেন, কেউ দেখে না অন্ধত্বের আবরণে।

মোহবন্দী সবাই ছুটেছে, গন্তব্য পড়তে পারে না গণক টিয়া পাখি
ফুটপাত জুড়ে রকমারি দোকান, হাতিয়ে নিয়ে পারে মাসের সব
সারাদিনের দৌড়ের শেষে অচল হওয়া দেহটি শ্বাসপ্রশ্বাস ছাড়ে
চোখটুকু জেগে থাকে, তার কোনো ক্লান্তি নেই বরং সকালের অপেক্ষা...

সকাল হতেই আবার ছুটে চলা চেনা পথে অচেনা জীবনের টানে
পুরোটা যুদ্ধক্ষেত্রে অপ্রস্তুত যোদ্ধা ছুটে চলে সময়ের হাতেখড়িতে
বিজয় নামক শব্দটি খুব কাছের কিন্তু স্বপ্ন বলেই ডাকে সবাই।

Wednesday, 20 January 2016

নিষিক্ত অবিন্যাস

একদিন ক্ষতবিক্ষত শরীরে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে উঠে এসে ছুঁড়ে দিলাম ফ্লাইং কিস। চুম্বন টুকু পৌঁছোবার আগেই বিষে লীন হয়ে ওঠে শরীর। গোলাপ বাগানের রূপান্তর হয় আফিম বনে। বিজেতার পরাজয়ে ভ্রান্ত বিলাপে আটকে যায় কল্পনা বিজ্ঞান।

অগ্রন্থিত এক মুঠো কাগজে অনেক লিখাই বাকি। সাদাকালো পাতার দৃশ্যপট, ধুলোর ক্যানভাসে প্রেমিকার হাসি মুখ মলিন হতে হতে মুছে যায়। অনুপ্রেরণার প্রয়াসে আটকে যাওয়া পরিণতি, তার সামনে এসেই পরাজিত হই মুহূর্ত ব্যতিরেকে।

গোলাপের বাগানের ঝরাপাতা জানে নিষিদ্ধ অবয়বে রেখে যাওয়া বুনো আসক্তির ইতিহাস। ক্ষতবিক্ষত শরীরের পরতে একটা অলিখিত যুদ্ধের সত্য ঘটনা থাকে। অপ্রকাশিত বলেই অনেকে রূপকথা বলে হেসে উড়িয়ে দেয়।

আর অবহেলিত ফ্লাইং কিস রানওয়ের ট্রাফিকে আটকে পরে শূন্যে ওড়ে।

Tuesday, 19 January 2016

নিষিক্ত অবিন্যাস

একদিন ক্ষতবিক্ষত শরীরে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে উঠে এসে ছুঁড়ে দিলাম ফ্লাইং কিস। চুম্বন টুকু পৌঁছোবার আগেই বিষে লীন হয়ে ওঠে শরীর। গোলাপ বাগানের রূপান্তর হয় আফিম বনে। বিজেতার পরাজয়ে ভ্রান্ত বিলাপে আটকে যায় কল্পনা বিজ্ঞান। 

অগ্রন্থিত এক মুঠো কাগজে অনেক লিখাই বাকি। সাদাকালো পাতার দৃশ্যপট, ধুলোর ক্যানভাসে প্রেমিকার হাসি মুখ মলিন হতে হতে মুছে যায়। অনুপ্রেরণার প্রয়াসে আটকে যাওয়া পরিণতি, তার সামনে এসেই পরাজিত হই মুহূর্ত ব্যতিরেকে।

গোলাপের বাগানের ঝরাপাতা জানে নিষিদ্ধ অবয়বে রেখে যাওয়া বুনো আসক্তির ইতিহাস। ক্ষতবিক্ষত শরীরের পরতে একটা অলিখিত যুদ্ধের সত্য ঘটনা থাকে। অপ্রকাশিত বলেই অনেকে রূপকথা বলে হেসে উড়িয়ে দেয়। 

আর অবহেলিত ফ্লাইং কিস রানওয়ের ট্রাফিকে আটকে পরে শূন্যে ওড়ে।

Monday, 18 January 2016

পরশ্রীকাতর

বিশাল বটবৃক্ষ, তার নিচে শ্যাওলা জমে, ছত্রাক জন্মায়, পিঁপড়া দৌড়ে। স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে ওঠে বৃক্ষের গা। শিকড়ের প্রান্ত দিয়ে দৌড়ে যায় নেংটি ইঁদুর। তুমি সব কিছু বাদ দিয়ে দেখো বৃক্ষের দিকে। বিনয় দেখো, দেখো তার পাণ্ডিত্য। দেখো শ্যাওলাগুলো, ফাঙ্গাস জমা সবুজ বর্ণগুলো, লাল পিঁপড়া কিম্বা আশ্রিত কোনো নিরপরাধ প্রাণীকে, বটবৃক্ষকে ব্যবহার করে বেঁচে থাকা প্রাণ।


একদিন দেখবে শ্যাওলাদের জড়ো হওয়া সমাবেশ, ছত্রাকের ক্রমাগত বংশবিস্তারে, আরো স্যাঁতসেঁতে হয়ে ওঠা গা। একসময় মিথ্যে অহমিকায় নিজেরাই নিজেদের বৃক্ষ মনে করে গড়ে তোলে সমবায় সমিতি। ইঁদুরটি নিজেকে ভাবে পাইথন, পিঁপড়েটি বাঘ। নিজেদের মাঝে গড়ে ওঠা প্রেমে ক্রমশ রাজনীতি এসে যোগ দেয়। সুন্দরের চেয়ে বহুগুণ বাড়ে অসুন্দর। পরশ্রীকাতরতা এখানে বাসা বাঁধে অবলীলায়। উদারতার গল্প হারিয়ে গেছে কঠিন কোনো পুস্তকের পাতায়.... এখানেও রাজনীতি , স্বজনপ্রীতি , হিংসা লালিত হয়.... টিকে থাকে সত্ত্বার ভিতর আর বাইরের মাঝে বিশাল পরিবর্তন।

বট বৃক্ষটি নীরবে দাঁড়িয়ে থাকে। আহত হয়, কাঁদে, দুঃখ প্রকাশ করে। অমরত্বের এই সাধনাটুকু গন্তব্যহীন পথে যাত্রা। এখানে থেমে যাওয়াই গন্তব্য ঠিক করে দেয় আবার ছুটে চলার পিছেই লুকানো থাকে অচেনা অনন্ত এক যাত্রাপথ। যার শুরুটা মোটামুটি সবার জানা থাকলেও শেষ বিন্দুটার অবস্থান কোথায়, কেউ দেখে নি।


প্রকাশিতঃ আই পোয়েট পত্রিকা।